Tuesday, June 23, 2020

কোন ত্বকে কি রকম মেক-আপ ?



এখানে দেয়া হলো কোন ত্বকের জন্য কিভাবে মেক-আপ করতে হবে :----

তৈলাক্ত ত্বক
* প্রথমে ত্বক পরিস্কার করুন। তারপর অ্যাস্ট্রিনজেন্ট 
লোশন লাগান।
* ১০ মিনিট পর কম্প্যাক্ট পাউডার লাগান। ফাউন্ডেশন 
লাগাবেন না। 
কম্প্যাক্ট লাগালে ত্বকে অতিরিক্ত চকচকে ভাব থাকে না।
* ফাউন্ডেশন লাগাতে চাইলে ওয়াটার বেসড ফাউন্ডেশন 
লাগান।
* ত্বকে লাগানোর আগে একফোঁটা জল মেশান। না হলে 
কেক ফাউন্ডেশন বা প্যানস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। 
তবে লাগানোর আগে অল্প জল মিশিয়ে নেবেন।
* ফাউন্ডেশন লাগানোর পর পাউডার লাগান। মুখে 
ফাউন্ডেশন সেট করা যাবে।
* পাউডার ব্লাশার ও আইশ্যাড ব্যবহার করুন।


রুক্ষ ও পরিণত ত্বক
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে বলিরেখা, ভাঁজ পড়তে থাকে।
ত্বক অনুজ্জ্বল লাগে। ত্বক শুস্ক হয়ে পড়ে। ত্বকের যত্ন ও
মেক-আপের প্রতি উত''সাহ কমে গেলে ট্রাই করুন সহজ
কয়েকটি নিয়ম।
* সানস্কিন ও অ্যান্টিএজিং উপাদানসমুহ ময়শ্চারাইজার
ব্যবহার করুন। এই বয়সে স্কিন কেয়ারের জন্য উপযুক্ত।
* ভারী ফাউন্ডেশনে ত্বকের বলিরেখা আরও স্পস্ট হয়ে ওঠে।
তাই লিকু্ইড ও পাউডার ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। লিকু্ইড
ফাউন্ডেশন লাগালে ত্বকের অনুজ্জ্বল ভাব ঢাকা পড়ে। পাউডার
ফাউন্ডেশন লাগালে আলাদা করে কম্প্যাক্ট লাগানোর দরকার
পড়ে না।
* থ্রি ইন ওয়ান আইশ্যাডো-লিপ কালার-চিক কালার স্টিক
কিনে নিন। আইশ্যাডো, চিকবোনে লাগানোর পর ব্রাশ দিয়ে
লিপ কালার হালকা করে লাগান।
* চোখে আইলানার লাগান। কালোর বদলে গ্রে, ব্রাউন,
ল্যাভেন্ডার কালার ট্রাই করতে পারেন। কাজল পেনসিলের
বদলে আইলানার পেন ব্যবহার করুন।
* শেষে মাসকারার টাচ দিন। চোখ বড় ও সুন্দর দেখাবে। 

কোঁকড়া চুলের যত্ন - care of curly hair

My Kerasilk Keratin Treatment Review - The Good, Bad, And Ugly ...

মেঘবরণ কুঞ্চিত কালো কেশ বা ঢেউ খেলানো চুল— 
কোঁকড়া চুলের এসব উপমা যত
সুন্দরই হোক না কেন, এ ধরনের চুলের যত্ন নেওয়াটা 
ঝামেলার ব্যাপার। কারণ প্রকৃতিগতভাবেই কোঁকড়া চুল 
খুব ঘন ও শক্ত হয়ে থাকে। 
আর চুলগুলো কোঁকড়ানো হওয়ার কারণে গরমের এই সময়টায় চুলের 
গোড়ায় বাতাস 
ঢুকতে না পারায় চুলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া কোঁকড়া 
চুলে সব 
সময়ই জট লেগে থাকে। এ কারণে চুলগুলোকে আঁচড়ানোও 
বেশ কষ্টকর হয়ে পড়ে। 
ঘরে বসেই কোঁকড়া চুলের এসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করবেন....... 
যাদের মাথায় কোঁকড়া চুল আছে, তাদের অবশ্যই মাথার 
তালু পরিষ্কার রাখতে হবে। 
যেহেতু এ ধরনের চুলের গোড়ায় বাতাস পৌঁছাতে পারে না, 
তাই মাথার ত্বক পরিষ্কার না রাখলে চুলের গোড়ায় ফুসকুড়ি 
ওঠা, খুশকিসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গোসল করার পর কোঁকড়া চুল ভালো করে না শুকালে 
চুলের গোড়ায় পানি জমে থাকে।
তাই গোসল শেষে চুলগুলো ভালো করে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। 
এরপর ফ্যানের
বাতাসে দুই হাত দিয়ে চুলগুলো ফাঁক ফাঁক করে শুকিয়ে নিন। 
কোঁকড়া চুলের ধরন 
খুবই রুক্ষ। তাই চুল শুকাতে কখনোই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার 
করবেন না।
যেহেতু এ ধরনের চুলে খুব জট লেগে থাকে, তাই চুল শুকানোর 
পর মোটা  দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়াতে হবে।
মেথি গুঁড়া, টক দই, ত্রিফলার রস (আমলকী, হরীতকী, বহেরা) 
একসঙ্গে মিশিয়ে এক ঘণ্টা রাখুন। এই মিশ্রণ চুলে দিয়ে 
১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু দিয়ে চুল 
ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের জট অনেকটা কমবে।
চুলের গোড়ায় ঘাম জমে চুল পড়ে যায়। তাই চুল পড়া 
বন্ধ করতে চুলে ভাতের মাড় মেখে এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু 
দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
এ ধরনের চুলে প্রয়োজন প্রোটিন হেয়ার ট্রিটমেন্ট। 
তাই ১৫ দিনে একবার ডিম, টক দই, নিমপাতা বাটা, 
পেঁয়াজের রস, মেথি গুঁড়া মিশিয়ে মাথায় 
৩০ থেকে ৩৫ মিনিটের মতো রাখতে হবে। পুরোপুরি 
শুকানোর আগেই ধুয়ে ফেলতে হবে।
একইভাবে চুলে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট নিতে ডিম ও 
কলার মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।
গরমে মাথার তালুতে অনেক সময় ফুসকুড়ি ওঠে। 
দূর্বাঘাসের মুথা ও স্বর্ণলতা নারকেল 
তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন।
শীতকালে খুশকি দূর করতে মেহেদিপাতার সঙ্গে ঘৃতকুমারী, 
অ্যালোভেরা মিশিয়ে 
লাগাতে পারেন চুলে।
এ ছাড়া প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর এক কাপ চায়ের লিকারের 
সঙ্গে (দুই টেবিল চামচ করে ভিনেগার, কফি, সেদ্ধ বিটের রস) 
একসঙ্গে মিশিয়ে কন্ডিশনার হিসেবে চুলে ব্যবহার করতে পারেন।
চুলে রক্ত সঞ্চালনের জন্য নারকেল তেলের ম্যাসাজ খুবই উপকারী। 
নারকেল তেল গরম করে হাতে নিয়ে আঙুল দিয়ে বৃত্তাকারভাবে 
মালিশ করতে হবে। 
এরপর গরম পানিতেই তোয়ালে ভিজিয়ে ভালোভাবে চিপে মাথায় 
পেঁচিয়ে ধরতে হবে।
এতে চুলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং চুলের গোড়া শক্ত হয়।
এ ধরনের চুল যাদের রয়েছে তাদের প্রচুর পরিমাণে ফলমূল ও 
পানি খেতে হবে।
পাশাপাশি খেতে হবে সামুদ্রিক মাছ। কারণ সামুদ্রিক মাছ 
খেলে চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 

হাত পায়ের যত্ন - Hand and foot care

হাত পায়ের যত্ন - Hand and foot care




ত্বকের যত্ন নেওয়া উচিত সারা বছর। তবে রোদ-বৃষ্টির মাতামাতিতে তা 

যেন আরও বেশি দরকার। কখনো বৃষ্টি, কখনো রোদের দাপটে হার মানছে হচ্ছে

 আমাদের ত্বক।

এই সময়ে হাত-পায়ের যত্ন নেওয়ার কিছু উপায়।
বৃষ্টির কারণে ফাংগাল ইনফেকশন হয়। 

এ জন্য খুব ভালো করে হাত-পা পরিষ্কার করা উচিত। 

সপ্তাহে একদিন স্ক্রাব করলে ভালো হয়। চালের গুঁড়ার সঙ্গে শসার রস, 

গাজরের রস ও মসুর ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করলে 

ভালো হবে। 

গরম পানির মধ্যে আধ চামচ শ্যাম্পু, একটু লবণ দিয়ে পা ডুুবিয়ে রাখতে পারেন 

১০-১৫ মিনিট। ব্রাশ দিয়ে এরপর পা ঘষে নিন। বাজারে মাটির ঝামা কিনতে 

পাওয়া যায়, সেটা দিয়ে গোড়ালির নিচের অংশটুকু ঘষে নিন। মরা চামড়া 

উঠে যাবে।

বাজারে মেনিকিউর, পেডিকিউর কিট কিনতে পাওয়া যায়। এতে নখ 

পরিষ্কার করার সামগ্রীও থাকে। 

এগুলো ব্যবহার করতে পারেন। নখে একটু ভ্যাসলিন লাগিয়ে নখের চারপাশ 

পরিষ্কার করে নিন। লেবুর রসও খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। 

সবশেষে ময়শ্চারাইজার লাগাতে হবে। 

সপ্তাহে দুবার এভাবে যত্ন নিলে হাত পা দুটি ভালোই থাকবে।

তবে নরম ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। লেবু যাতে ত্বকে খুব একটা না লাগে 

সেদিকটায় খেয়াল রাখতে হবে। কারণ অনেকের ত্বকে এতে জ্বালাপোড়া করে।


কনুইয়ের অংশে অনেক সময় কালো ছোপ পড়ে যায়। 

মধু ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে আলতো করে ঘষুন। কালো ছোপ 

কমে যাবে।

ফাংগাল ইনফেকশনের কারণে অনেকের হাত-পায়ে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে যায়।

দুধ, মধু, লেবুর রস, মসুর ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে একটু ঘন পেস্টের মতো করে 

লাগিয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে সুফল পাবেন। 

এ ছাড়া তিলের পেস্ট, কাঠ বাদাম ও ময়দা মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। 

তৈলাক্ত ত্বক ছাড়া প্রায় সব ধরনের ত্বকের জন্যই এটি ভালো। 

তেঁতুল ও মধুর মিশ্রণ লাগাতে পারেন তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা।

যাঁরা এ সময় শুষ্কতায় ভুগছেন, তাঁরা ঘরোয়া ময়শ্চারাইজার বানাতে পারেন। 

তিলের তেল, গ্লিসারিন ও গোলাপ জল একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালে শুষ্ক ভাব 

কমে যাবে। এ সময় ত্বক যেন অনেক সময় ধরে ভেজা না থাকে,

সেদিকেও খেয়াল রাখুন।

Sunday, June 21, 2020

মুখের অবাঞ্ছিত লোম তুলতে মেয়েরা করছেন ফেস শেভিং, জেনে নিন এর সুবিধা ও অসুবিধা.



শেভ করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন


মুখের অবাঞ্ছিত লোম তুলতে মেয়েরা করছেন ফেস শেভিং, জেনে নিন এর সুবিধা ও অসুবিধা.
মুখের অবাঞ্ছিত লোম তুলতে মেয়েরা করছেন ফেস শেভিং, জেনে নিন এর সুবিধা ও অসুবিধা প্রত্যেক মেয়েই চায় তার ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হোক, কিন্তু সবাই তো আর সবকিছু পায় না। তাই, অনেকেই নরম এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বিউটি ট্রিটমেন্ট করান। মুখে বা শরীরে থাকা অবাঞ্ছিত লোম সৌন্দর্য নষ্ট করে, তাই সেগুলি অপসারণের জন্য ওয়াক্সিং করেন অনেকেই। তবে থ্রেডিং-এর মাধ্যমেও অনেকে মুখের লোম অপসারণ করে। চুল অপসারণের জন্য এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং অব্যর্থ এক পদ্ধতি। এটি অত্যন্ত কম খরচ সাপেক্ষ। তবে বর্তমান দিনে মেয়েদের ফেস শেভিং খুব আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের জন্য পার্লারেও ফেস শেভিং ব্যবহার করা হচ্ছে। তাহলে আসুন জেনে নিই, ফেস শেভিংয়ের সুবিধা এবং এটি করার সময় কী কী মনে রাখা উচিত।



ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা

Betel Leaves Give You Pimple Free Face And Glowing Skin

ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা

ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা  [IST] ছেলে হোক বা মেয়ে, প্রত্যেকেই ত্বকে ট্যান পড়া, মুখে ব্রণ, পিম্পল, ইত্যাদি নানান ধরনের সমস্যা নিয়ে চিন্তিত থাকে। চেহারায় পিম্পল এবং দাগ হওয়া খুবই সাধারণ। এগুলো দূর করার জন্য অনেকেই নানান চেষ্টা করে কিন্তু, খুব সহজেই এর থেকে মুক্তি মেলে না। তাই আমরা আপনাকে জানিয়ে রাখি যে, পান পাতা দিয়ে আপনি পিম্পল নিরাময় করতে পারেন। পান পাতা ব্যবহারের ফলে মুখ উজ্জ্বল হয়। তাহলে আসুন জেনে নিই, কীভাবে পান পাতার মাধ্যমে পিম্পল নিরাময় করা যায়।

পাতার মাধ্যমে পিম্পল নিরাময় করা যায়। পিম্পলস থেকে মুক্তি সর্বপ্রথমে ৩-৪ টি পান পাতা নিন। এগুলি ভাল করে পরিষ্কার করুন এবং ধুয়ে নিয়ে পাতাগুলি পিষে নিন। এর সঙ্গে এক চামচ হলুদ মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এরপর পেস্টটি ব্রণ-এর উপরে প্রয়োগ করুন, পুরো মুখে পেস্টটি লাগান। পান পাতার ফেস প্যাক পান পাতার ফেস প্যাক তৈরি করতে ৩-৪টি পাতা পিষে নিন। এরসঙ্গে বেসন, মুলতানি মাটি এবং চন্দন মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে পারেন। এই পেস্টটি ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে দিন। এরপরে ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি প্রতিদিন লাগালে মুখ পরিষ্কার হয়।
পান পাতার ফেস প্যাক পান পাতার ফেস প্যাক তৈরি করতে ৩-৪টি পাতা পিষে নিন। এরসঙ্গে বেসন, মুলতানি মাটি এবং চন্দন মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে পারেন। এই পেস্টটি ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে দিন। এরপরে ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি প্রতিদিন লাগালে মুখ পরিষ্কার হয়।



চুলে কালার করুন এই প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে

Homemade Natural Hair Dye Recipes


চুলে কালার করুন এই প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে

অল্প বয়সেই চুল সাদা হয়ে যাওয়া আজকাল একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যস্ত জীবনযাত্রা, খাবার ও শরীরে প্রতি সঠিক মনোযোগ না দেওয়ার কারণে কম বয়স থেকেই চুল সাদা হতে শুরু করে। অনেকেই সাদা চুল আড়াল করতে হেয়ার কালার ব্যবহার করে। তবে, হেয়ার কালারে রাসায়নিক থাকে যা চুলের প্রচুর ক্ষতি করে। তাই লকডাউনের সময় আপনি নিজের সাদা চুল আড়াল করার জন্য ঘরোয়া পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারেন। সাদা চুল আড়াল করতে আপনি বীট, কফি এবং মেহেন্দির ব্যবহার করতে পারেন। এই প্রাকৃতিক জিনিসগুলি মার্কেটের হেয়ার কালারের চেয়ে অনেক ভাল, কারণ এগুলিতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে না এবং এগুলি কোনওভাবেই চুলের ক্ষতি করে না। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক, ঘরোয়া উপায়ে চুল রঙ করবেন কীভাবে।




facial muscle (beauty tips bangla) মুখের গাল সুন্দর করতে বিউটি টিপস

মধু দিয়ে সহজেই ঘরেবসে ফেসিয়াল করে ...

facial muscle (beauty tips bangla) মুখের গাল সুন্দর করতে বিউটি টিপস

শরীর যতই মোটা চওড়া হোক যদি মুখের গলের চামড়া বসা হয় তবে তা দেখতে অনেকটা খারাপ দেখায়। যা সৌন্দর্য কে এবং আপনার পার্সোনালিটি নষ্ট করে দেয়।

আজ এখানে আপনি মুখের গালের (facial muscles) এর বিষয়ে কিছু বিউটি টিপস জেনে নিতে পারবেন যা বসে যাওয়া গালকে ফুলতে ও টুসটুসে এবং নিটোল করতে সাহায্য করবে।

ফেসিয়াল মাসেল কে সুন্দর করতে যে সব উপকরণ গুলোর প্রয়োজন তা হলো

  1. একটি কাচের পাত্র
  2. গ্লিসারিন অয়েল
  3. আমন্ড অয়েল
  4. গোলাপ জল

প্রস্তুত প্রণালী: কাচের পত্রের মধ্যে অধ চামচ গ্লিসারিন নিতে হবে। এই গ্লিসারিন বাজারে সহজেই পাওয়া যায়, যা চামড়ার ব্লাড সারকুলেশন সঠিক রাখে ও ডেথ সেসল কে রিমুভ করে নতুন সেল তৈরি করতে সাহায্য করে।

এর পরে যেটি লাগবে সেটি হলো আমন্ড অয়েল (বাদাম তেল)। আমন্ড ওয়েলের মধ্যে থাকে vitamin E যেটি ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখতে পারে। এই ভিটামিন ই সমৃদ্ধ আমন্ড অয়েল আধ চামচ মিশিয়ে নিন

এই দুটি উপকরণের সঙ্গে তৃতীয় যে উপকরণটি মেশাতে হবে সেটি হলো গোলাপ জল (Rose Water)। এক চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিতে হবে।

এই তিনটি উপকরণ এক সাথে কাচের পাত্রে নেয়ার পর। ভালো করে মিক্স করে নিতে হবে। মিক্স করার পর এটি একটি ফেস প্যাক (face pack) এর মত অবস্থায় এসে যাবে। যা আপনি সহজেই আগুলের সাহায্যে মুখের গালে ব্যাবহার করতে পারবেন।

এই ফেস প্যাক টি ১০ থেকে ১৫ মিনিট আলতো ভাবে দুই গালে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন ব্যবহার করলেই পার্থক্য বোঝা যাবে।

Multani mitti face pack bangla beauty tips রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার

Multani mitti face pack bangla beauty tips রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার ত্বকের সুন্দর্যের জন্য মুলতানি মাটি একটি অতি প্রাচীন এবং অতি প্রয...